জার্মানির টিকার মান নিয়ে আশাবাদী সেখানকার মানুষ

করোনার একটি কার্যকরী টিকা তৈরিতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আছে বিশ্বের ২০টি জৈববিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান।

এরই মধ্যে চীনের দুটি এবং যুক্তরাজ্যের ১টি বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষাও শুরু করেছে। তবে জার্মানির বায়োনটেক ও কিউরভ্যাকের টিকার মান নিয়েও আশাবাদী সেখানকার সাধারণ মানুষ।

জার্মানির যে দুটি চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান করোনার একটি ভ্যাক্সিন তৈরিতে কাজ করছে সেটির একটি বায়োনটেক এবং অন্যটি কিউরটেক। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই তাদের গবেষণায় অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

সেখানকার চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই টিকার এখন পর্যন্ত নীতিবাচক কোন প্রভাব মানবদেহের শরীর থেকে পাওয়া যায়নি। যেকোনভাবে মানবদেহের শরীরে তৈরি করছে এন্টিবডি।

ইতিমধ্যে জার্মানের চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান বায়োনটেক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান ফাইজার যৌথভাবে যে টিকাটি আবিষ্কার করেছে সেটি হচ্ছে বিএনটি-১৬২।

এই টিকাটি নিয়ে দুই দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ব্যাপক আশাবাদী। তারই ধারাবাহিকতাই এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সরকার দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে ১.৯৫ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে সেই সাথে ৩০ মিলিয়ন ডোজ রপ্তানি করবে যুক্তরাজ্য। এই টিকা নিয়ে ব্যাপক আশাবাদী জার্মানির স্থানীয় জনগণসহ প্রবাসীরা।

এক জার্মান নাগরিক বলেন, আমরা বিশ্বাস করি একদিন ভ্যাক্সিন আসবে এবং আমরা সবাই এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাব।

এদিকে জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসীরা মনে করছেন, লকডাউনে থেকে সুরক্ষাবিধি না মানলে এই রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া কোনভাবেই সম্ভব না।

এক প্রবাসী বাংলাদেশী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে জার্মান সরকার যথাসময়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছে সে কারণে জার্মান এখন মোটামুটি করোনা থেকে অনেক মুক্ত।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় দেশগুলি প্রায় করোনার টিকা তৈরিতে মধুর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কার আগে কোন দেশ একটি সত্যিকারের করোনার টিকা তৈরি করবে।

তবে কোন টিকাটি সত্যিকার অর্থে এখন পর্যন্ত কার্যকরী, কোন টিকাটি শরীরে এন্টিবডি তৈরি করবে কিংবা সত্যিকার অর্থে করোনা থেকে সুরক্ষা দেবে সেটি সময়েই বলে দেবে। তবে সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

আরও খবর